সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’


সকালের বাংলাদেশ
সকালের বাংলাদেশ
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, এ বছর প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার গুণগত মানের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। পাসের হার কম মনে হলেও মান বিবেচনায় এটিই প্রকৃত পাসের হার হতে পারে।

শনিবার দুপুরে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আগের সময়ের তুলনায় শিক্ষার মানে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে তাঁরা সরে এসেছেন। এ কারণে শুরুর দিকে পাসের হার কিছুটা কম থাকতে পারে। তবে তাঁর বিশ্বাস, আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে শিক্ষার গুণগত মানের পাশাপাশি পাসের হারও বাড়বে।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের চলতি অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতাভুক্ত জেলায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবু তাহের খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন।

সভায় তিনি বলেন, ‘অবকাঠামোগত সমস্যাই শিক্ষার বড় অন্তরায়।’ পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জেলা নেত্রকোনার শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামোগত দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে কাজ করা হবে।

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য প্রকল্পটি সংশোধনের কাজ চলছে।

নেত্রকোনায় মেডিকেল কলেজের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাসের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্তমানে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে হাসপাতালের একটি অংশ ব্যবহার করে মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম চলছে, যা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ছাড়া নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অবকাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান।

এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে ভালো সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামো একটি বড় বিষয়। বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আগের বছরগুলোর এবং অন্যান্য সরকারের তুলনায় বেশি বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। এ বরাদ্দ যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে এ অঞ্চলের শিক্ষার মান বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

‘নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করানোর প্রবণতা থেকে সরে এসেছি’

পরিকল্পনা কমিশনের আর্থসামাজিক অবকাঠামো বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, এ বছর প্রকাশিত পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার গুণগত মানের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। পাসের হার কম মনে হলেও মান বিবেচনায় এটিই প্রকৃত পাসের হার হতে পারে।

শনিবার দুপুরে নেত্রকোনা সরকারি কলেজ পরিদর্শনে এসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আগের সময়ের তুলনায় শিক্ষার মানে গুণগত পরিবর্তন এসেছে। নম্বর বাড়িয়ে শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকে তাঁরা সরে এসেছেন। এ কারণে শুরুর দিকে পাসের হার কিছুটা কম থাকতে পারে। তবে তাঁর বিশ্বাস, আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে শিক্ষার গুণগত মানের পাশাপাশি পাসের হারও বাড়বে।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের চলতি অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতাভুক্ত জেলায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবু তাহের খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন।

সভায় তিনি বলেন, ‘অবকাঠামোগত সমস্যাই শিক্ষার বড় অন্তরায়।’ পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জেলা নেত্রকোনার শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামোগত দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে কাজ করা হবে।

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য প্রকল্পটি সংশোধনের কাজ চলছে।

নেত্রকোনায় মেডিকেল কলেজের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যাম্পাসের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্তমানে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে হাসপাতালের একটি অংশ ব্যবহার করে মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম চলছে, যা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ছাড়া নেত্রকোনা সরকারি কলেজের অবকাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করার চেষ্টা চলছে বলেও জানান।

এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে ভালো সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন ড. শাহ মো. হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কর্মমুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে অবকাঠামো একটি বড় বিষয়। বর্তমান সরকার শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আগের বছরগুলোর এবং অন্যান্য সরকারের তুলনায় বেশি বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। এ বরাদ্দ যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে এ অঞ্চলের শিক্ষার মান বাড়বে।


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত