টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন জেলা যুবদল নেতা সাব্বির আহমেদ রতন। তার দাবি, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি; বরং নিজের বাসা থেকে নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন জিনিস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাব্বির আহমেদ রতন টাঙ্গাইল শহর ও জেলা যুবদলের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রতন বলেন, দুপুরে তিনি বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়ে নিচে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন। শব্দ শুনে তিনি চারতলা থেকে খালি গায়ে নিচে নেমে দেখতে পান, বাসার ছাদ থেকে চুরি করে কিছু জিনিসপত্র নিয়ে এক ব্যক্তি বের হওয়ার চেষ্টা করছেন।
তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বাসাটিতে নির্মাণকাজ চলছে। এর আগে দুই দফায় বিভিন্ন জিনিস হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এদিন মেয়ের পড়ার টেবিল ও নির্মাণকাজের রডসহ কিছু জিনিস নিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি দেখে উত্তেজিত হয়ে তিনি ওই ব্যক্তিকে কয়েকটি আঘাত করেন বলে স্বীকার করেন।
রতন বলেন, ‘আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। চাঁদা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বাসা থেকে জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। এ ধরনের মিথ্যা প্রচারের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোর সঙ্গে ‘চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা মারধর করেছেন’—এমন তথ্য প্রচার করা হয়। তবে রতনের দাবি, ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া এই তথ্য সঠিক নয়।
ঘটনার বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে তিনি বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান।
স্থানীয় বাঘিল ইউনিয়নের পাইকমুড়িল গ্রামের জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, যাকে আটক করা হয়েছে সে তার গ্রামেরই নেশাগ্রস্থ এক ছেলে। পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।
এলাকার এক প্রতিবেশী বলেন, ‘চাঁদাবাজির বিষয়টি সঠিক নয়। বাসায় চুরি করার কারণে তাকে কয়েকটি আঘাত দেওয়া হয়েছে।’
রতনের স্ত্রীও একই দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের পুরাতন পড়ার টেবিলটিও নিয়ে গেছে। চোরের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। অথচ ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে।’
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রতন।
বিষয় : টাঙ্গাইল মারধর যুবদল নেতা

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন জেলা যুবদল নেতা সাব্বির আহমেদ রতন। তার দাবি, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি; বরং নিজের বাসা থেকে নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন জিনিস চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বেবিস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাব্বির আহমেদ রতন টাঙ্গাইল শহর ও জেলা যুবদলের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
রতন বলেন, দুপুরে তিনি বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তার স্ত্রী ও মেয়ে নিচে চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন। শব্দ শুনে তিনি চারতলা থেকে খালি গায়ে নিচে নেমে দেখতে পান, বাসার ছাদ থেকে চুরি করে কিছু জিনিসপত্র নিয়ে এক ব্যক্তি বের হওয়ার চেষ্টা করছেন।
তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বাসাটিতে নির্মাণকাজ চলছে। এর আগে দুই দফায় বিভিন্ন জিনিস হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এদিন মেয়ের পড়ার টেবিল ও নির্মাণকাজের রডসহ কিছু জিনিস নিয়ে যাচ্ছিল। বিষয়টি দেখে উত্তেজিত হয়ে তিনি ওই ব্যক্তিকে কয়েকটি আঘাত করেন বলে স্বীকার করেন।
রতন বলেন, ‘আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। চাঁদা চাওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। বাসা থেকে জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছিল। এ ধরনের মিথ্যা প্রচারের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
এদিকে, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মারধরের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোর সঙ্গে ‘চাঁদা না পেয়ে যুবদল নেতা মারধর করেছেন’—এমন তথ্য প্রচার করা হয়। তবে রতনের দাবি, ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া এই তথ্য সঠিক নয়।
ঘটনার বিষয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে তিনি বৃহস্পতিবার রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলেও জানান।
স্থানীয় বাঘিল ইউনিয়নের পাইকমুড়িল গ্রামের জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, যাকে আটক করা হয়েছে সে তার গ্রামেরই নেশাগ্রস্থ এক ছেলে। পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়।
এলাকার এক প্রতিবেশী বলেন, ‘চাঁদাবাজির বিষয়টি সঠিক নয়। বাসায় চুরি করার কারণে তাকে কয়েকটি আঘাত দেওয়া হয়েছে।’
রতনের স্ত্রীও একই দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের পুরাতন পড়ার টেবিলটিও নিয়ে গেছে। চোরের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। অথচ ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে।’
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সঙ্গে দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রতন।

কোন মন্তব্য নেই।