সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

‎জাতীয় পতাকা মিছিল ঘিরে উত্তাল ভারত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

‎জাতীয় পতাকা মিছিল ঘিরে উত্তাল ভারত
ছবি: সংগৃহীত


‎
‎ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় পতাকা মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ, ধরপাকড় ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কনট প্লেস এলাকায় ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার পর অন্তত ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাস। ভোটার তালিকা সংশোধনে (এসআইআর) ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং জাতীয় পতাকা মিছিলের ওপর বিধিনিষেধের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। প্রায় দুই হাজার মানুষের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পালিকা বাজারের ২ নম্বর গেটের কাছে বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের কাছ থেকে জাতীয় পতাকা কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন। এ ছাড়া পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার পোশাকে নামফলক না থাকায় তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।
‎
‎এর আগে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে মিছিল বাতিলের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ দেয় পুলিশ। তবে নোটিশ গ্রহণ করেও কর্মসূচি প্রত্যাহারে রাজি হননি তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমরা যদি ১০০টি স্থানে কর্মসূচি ঘোষণার করি, তাহলে নরেন্দ্র মোদি কি ১০০টি স্থানই বন্ধ করে দেবেন? জাতীয় পতাকা ওড়াতে দিল্লি পুলিশের এত সমস্যা কিসের?’ যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা হাতে স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় এর আগে দলের দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। তাঁদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই নতুন করে পতাকা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
‎
‎ভোটাধিকার নিয়ে ক্ষোভ, পদত্যাগের দাবি
‎আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কারচুপির অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর বাতিল এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেসের পাশাপাশি মান্ডি হাউসেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসের নেতৃত্বে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) একটি পদযাত্রা কনট প্লেসে পৌঁছায়। অন্যদিকে, মান্ডি হাউসে আইসার ছাত্রনেতারা ঝটিকা মিছিল করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
‎
‎কেজরিওয়ালের নিন্দা, দক্ষিণ ভারতেও প্রতিবাদ
‎সিজেপি প্রতিষ্ঠাতাকে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভারতে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কি এখন অপরাধ? আটক অভিযানকে স্বৈরাচারী পদক্ষেপ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভীতিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ঘটনায়।
‎
‎দিল্লির আন্দোলনের সমর্থনে দক্ষিণ ভারতেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বেঙ্গালুরুর টাউন হল এলাকায় শর্তসাপেক্ষে তেরঙ্গা মিছিলের অনুমতি দেয় স্থানীয় পুলিশ। তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে ডিএমকে সংসদ সদস্য কানিমোঝি করুণানিধি হাজারো শিক্ষার্থীর সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি এবং তামিলনাড়ুতে প্রায় ৭৪ লাখ ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনর্বহাল ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
‎
‎মুম্বাইয়ে বাড়তি নিরাপত্তা
‎আন্দোলনের আঁচ পৌঁছেছে মুম্বাইয়েও। আজাদ ময়দান ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছোট ছোট প্রতিনিধি দল প্রতিবাদ সভা করেছে। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বাই থেকে বিমানে দিল্লি পৌঁছানোর পর আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটির আজাদ ময়দান ও ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস (সিএসএমটি) স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বড় ধরনের মিছিল ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেস ও যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন একাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটাধিকার, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার—এই তিনটি প্রশ্ন সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলো রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগ এবং পতাকা ছেঁড়ার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

বিষয় : ভারত

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


‎জাতীয় পতাকা মিছিল ঘিরে উত্তাল ভারত

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


‎
‎ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় পতাকা মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ, ধরপাকড় ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কনট প্লেস এলাকায় ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার পর অন্তত ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাস। ভোটার তালিকা সংশোধনে (এসআইআর) ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং জাতীয় পতাকা মিছিলের ওপর বিধিনিষেধের প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন দিল্লির গণ্ডি পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয় পুলিশ। প্রায় দুই হাজার মানুষের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পালিকা বাজারের ২ নম্বর গেটের কাছে বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁদের কাছ থেকে জাতীয় পতাকা কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন। এ ছাড়া পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তার পোশাকে নামফলক না থাকায় তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আন্দোলনকারীরা।
‎
‎এর আগে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে মিছিল বাতিলের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ দেয় পুলিশ। তবে নোটিশ গ্রহণ করেও কর্মসূচি প্রত্যাহারে রাজি হননি তিনি। তাঁর প্রশ্ন, ‘আমরা যদি ১০০টি স্থানে কর্মসূচি ঘোষণার করি, তাহলে নরেন্দ্র মোদি কি ১০০টি স্থানই বন্ধ করে দেবেন? জাতীয় পতাকা ওড়াতে দিল্লি পুলিশের এত সমস্যা কিসের?’ যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা হাতে স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় এর আগে দলের দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। তাঁদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদেই নতুন করে পতাকা মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
‎
‎ভোটাধিকার নিয়ে ক্ষোভ, পদত্যাগের দাবি
‎আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে কারচুপির অভিযোগ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ, এসআইআর বাতিল এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছেন।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেসের পাশাপাশি মান্ডি হাউসেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সিপিআই(এম) সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসের নেতৃত্বে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এসএফআই) একটি পদযাত্রা কনট প্লেসে পৌঁছায়। অন্যদিকে, মান্ডি হাউসে আইসার ছাত্রনেতারা ঝটিকা মিছিল করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) ১৬ ও ১৭ অক্টোবর সেন্ট্রাল পার্ক সাধারণের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।
‎
‎কেজরিওয়ালের নিন্দা, দক্ষিণ ভারতেও প্রতিবাদ
‎সিজেপি প্রতিষ্ঠাতাকে আটকের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভারতে জাতীয় পতাকা ওড়ানো কি এখন অপরাধ? আটক অভিযানকে স্বৈরাচারী পদক্ষেপ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের দেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভীতিরই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই ঘটনায়।
‎
‎দিল্লির আন্দোলনের সমর্থনে দক্ষিণ ভারতেও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বেঙ্গালুরুর টাউন হল এলাকায় শর্তসাপেক্ষে তেরঙ্গা মিছিলের অনুমতি দেয় স্থানীয় পুলিশ। তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ে ডিএমকে সংসদ সদস্য কানিমোঝি করুণানিধি হাজারো শিক্ষার্থীর সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে দেশজুড়ে প্রায় ১৩ কোটি এবং তামিলনাড়ুতে প্রায় ৭৪ লাখ ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনর্বহাল ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
‎
‎মুম্বাইয়ে বাড়তি নিরাপত্তা
‎আন্দোলনের আঁচ পৌঁছেছে মুম্বাইয়েও। আজাদ ময়দান ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছোট ছোট প্রতিনিধি দল প্রতিবাদ সভা করেছে। সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে মুম্বাই থেকে বিমানে দিল্লি পৌঁছানোর পর আটক হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটির আজাদ ময়দান ও ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস (সিএসএমটি) স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া বড় ধরনের মিছিল ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।
‎
‎দিল্লির কনট প্লেস ও যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন একাধিক শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটাধিকার, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার—এই তিনটি প্রশ্ন সামনে রেখে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলো রাজপথে সক্রিয় হচ্ছে। তবে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে ওঠা অভিযোগ এবং পতাকা ছেঁড়ার দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত