‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ইফতেখার চৌধুরী রায়হানের নেতৃত্বে একটি চৌকশ অগ্নি নির্বাপক দলের ৮ সদস্য অগ্নিকাণ্ড গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নির ব্যাপকতা এবং অগ্নিনির্বাপন করা এবং ভূমিকম্প বিষয়ক কৌশল পরোক্ষভাবে প্রদর্শন করেন।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. কহিনুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ছারনা নাহিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জনসচেতনতা ও পূর্বপ্রস্তুতির বিকল্প নেই। দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর প্রস্তুতির মাধ্যমে দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
‘ঘর থেকেই শুরু করি, দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া, র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ইফতেখার চৌধুরী রায়হানের নেতৃত্বে একটি চৌকশ অগ্নি নির্বাপক দলের ৮ সদস্য অগ্নিকাণ্ড গ্যাস সিলিন্ডার থেকে অগ্নির ব্যাপকতা এবং অগ্নিনির্বাপন করা এবং ভূমিকম্প বিষয়ক কৌশল পরোক্ষভাবে প্রদর্শন করেন।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. কহিনুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার ছারনা নাহিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জনসচেতনতা ও পূর্বপ্রস্তুতির বিকল্প নেই। দুর্যোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও কার্যকর প্রস্তুতির মাধ্যমে দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কোন মন্তব্য নেই।