দুর্যোগ মোকাবিলায় কাগুজে পরিকল্পনার পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক, দূরদর্শী ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের অংশগ্রহণকে অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিকল্পনা প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভূমিকম্প বাংলাদেশের অন্যতম উদীয়মান দুর্যোগঝুঁকি। বিশেষ করে নগর এলাকায় ভবন নির্মাণবিধি যথাযথভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় এ ঝুঁকি আরও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মনীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। উদ্ধার কার্যক্রম, ঝুঁকি হ্রাস ও জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতিটি ধাপে তাঁদের সুরক্ষা ও অংশগ্রহণ বিবেচনায় রাখতে হবে।
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা, বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, কার্যকর সমন্বয় এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর মতে, পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সম্মিলিত উদ্যোগই পারে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে।
বিষয় : রাষ্ট্রপতি

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
দুর্যোগ মোকাবিলায় কাগুজে পরিকল্পনার পরিবর্তে বাস্তবভিত্তিক, দূরদর্শী ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের অংশগ্রহণকে অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিকল্পনা প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ভূমিকম্প বাংলাদেশের অন্যতম উদীয়মান দুর্যোগঝুঁকি। বিশেষ করে নগর এলাকায় ভবন নির্মাণবিধি যথাযথভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় এ ঝুঁকি আরও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মনীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন এবং দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতি জোরদার করা প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। উদ্ধার কার্যক্রম, ঝুঁকি হ্রাস ও জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার প্রতিটি ধাপে তাঁদের সুরক্ষা ও অংশগ্রহণ বিবেচনায় রাখতে হবে।
দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা, বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা, কার্যকর সমন্বয় এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি। তাঁর মতে, পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও সম্মিলিত উদ্যোগই পারে দুর্যোগের ঝুঁকি কমিয়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে।

কোন মন্তব্য নেই।