সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

যন্তর মন্তরে গেট টপকে বিক্ষোভ, ফের আটক সিজেপির নেতারা


সকালের বাংলাদেশ
সকালের বাংলাদেশ
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

যন্তর মন্তরে গেট টপকে বিক্ষোভ, ফের আটক সিজেপির নেতারা

ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে ঢোকেন। পরে তাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।

দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এই আকস্মিক বিক্ষোভের দৃশ্য তুলে ধরেন। ভিডিওতে দেখা যায়, হাতে দলের পতাকা নিয়ে রানকা, দাসসহ কয়েকজন কর্মী গেট টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করছেন। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।

ঘটনার পর অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আপনারা প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন না।’ যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দিল্লির কেন্দ্রীয় ও নিরাপত্তাসংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তর এত দিন নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের পর এখন থেকে সেখানে আর বিক্ষোভ বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির জন্য নতুন তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।

গত ১০ অক্টোবর থেকেই যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ওই দিন যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে ১০ অক্টোবর সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দলের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে তাদের উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার ও রোববার রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

বিষয় : ভারত ভারত

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


যন্তর মন্তরে গেট টপকে বিক্ষোভ, ফের আটক সিজেপির নেতারা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এক দিন পরই সেখানে বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে দলের নেতা আশুতোষ রানকা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে একদল কর্মী যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে প্রতিবাদ জানান। এ সময় তারা লোহার গেট ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে ভেতরে ঢোকেন। পরে তাদের আটক করে দিল্লি পুলিশ।

দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে এই আকস্মিক বিক্ষোভের দৃশ্য তুলে ধরেন। ভিডিওতে দেখা যায়, হাতে দলের পতাকা নিয়ে রানকা, দাসসহ কয়েকজন কর্মী গেট টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করছেন। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে বিক্ষোভকারীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।

ঘটনার পর অভিজিৎ দীপকে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, ‘আপনারা প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারবেন না।’ যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি এই মন্তব্য করেন।

দিল্লির কেন্দ্রীয় ও নিরাপত্তাসংবেদনশীল এলাকায় অবস্থিত যন্তর মন্তর এত দিন নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের পর এখন থেকে সেখানে আর বিক্ষোভ বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করা যাবে না।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচির জন্য নতুন তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড।

গত ১০ অক্টোবর থেকেই যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ওই দিন যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তবে ১০ অক্টোবর সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দলের শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে তাদের উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার ও রোববার রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভ ও পুলিশের অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাজারো বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত