সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

আলামত নিশ্চিতে তাজমীনের সোয়াব-পোশাক যাচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে


প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

আলামত নিশ্চিতে তাজমীনের সোয়াব-পোশাক যাচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে

কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর জান্নাতুন তাজমীন হত্যার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্ত কর্মকর্তা। নিহত এই স্কুলছাত্রীকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হতে তার সোয়াব ও ব্যবহৃত পোশাক সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল ফারুক জানান, এসব আলামত ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

তিনি জানান, তদন্তে কোনো বিষয় বাদ দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর সোয়াব, ফোন ও পোশাকসহ বিভিন্ন আলামত সিআইডির ল্যাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


তদন্ত সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোরীর সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামে এক তরুণের। কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার আগে কক্সবাজারে গিয়ে রিয়াজের সঙ্গে অবস্থান করেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ও রিয়াজের স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে।

এদিকে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে রিয়াজকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কক্সবাজারের হোটেলে কিশোরীকে ডেকে নেওয়া ওই তরুণকে আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজু নিজেকে নির্দোষ দাবি করে নিখোঁজ হওয়ার রাতের কিছু তথ্য প্রকাশ করেন। তার ভাষ্যমতে, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরে প্রধান ফটক বন্ধ পায় মেয়েটি। মা-বাবাকে ফোনে না পেয়ে সে এক ‘আঙ্কেলের’ সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বাসায় যাওয়ার কথা জানায়। রিয়াজ কিশোরীকে ভিডিও কল দিলে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দেখতে পেয়ে বকাঝকা করেন। এরপর কিশোরী ফোন কেটে দেয় এবং পরে মেসেজে জানায় সে সকালে বাসায় ফিরবে।

রিয়াজের ধারণা, মেয়েটি যাকে ‘আঙ্কেল’ বলছিল, সে আসলে অটোরিকশা চালকই হতে পারে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে ফেরা ওই কিশোরী নগরের পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামে। সেখানে তাকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় রেসকোর্স এলাকার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। কিন্তু সে কিশোরীকে বাসায় না নিয়ে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন কৃষিজমিতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।

বিষয় : মৃত্যু

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


আলামত নিশ্চিতে তাজমীনের সোয়াব-পোশাক যাচ্ছে সিআইডির ফরেনসিকে

প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর জান্নাতুন তাজমীন হত্যার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্ত কর্মকর্তা। নিহত এই স্কুলছাত্রীকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হতে তার সোয়াব ও ব্যবহৃত পোশাক সিআইডির ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল ফারুক জানান, এসব আলামত ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

তিনি জানান, তদন্তে কোনো বিষয় বাদ দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করা এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর সোয়াব, ফোন ও পোশাকসহ বিভিন্ন আলামত সিআইডির ল্যাবে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


তদন্ত সূত্রে জানা যায়, নিহত কিশোরীর সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়েছিল রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজু নামে এক তরুণের। কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার আগে কক্সবাজারে গিয়ে রিয়াজের সঙ্গে অবস্থান করেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ও রিয়াজের স্বীকারোক্তিতে উঠে এসেছে।

এদিকে রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকা থেকে রিয়াজকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কক্সবাজারের হোটেলে কিশোরীকে ডেকে নেওয়া ওই তরুণকে আইনের আওতায় আনা হবে।

রাজু নিজেকে নির্দোষ দাবি করে নিখোঁজ হওয়ার রাতের কিছু তথ্য প্রকাশ করেন। তার ভাষ্যমতে, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরে প্রধান ফটক বন্ধ পায় মেয়েটি। মা-বাবাকে ফোনে না পেয়ে সে এক ‘আঙ্কেলের’ সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বাসায় যাওয়ার কথা জানায়। রিয়াজ কিশোরীকে ভিডিও কল দিলে তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দেখতে পেয়ে বকাঝকা করেন। এরপর কিশোরী ফোন কেটে দেয় এবং পরে মেসেজে জানায় সে সকালে বাসায় ফিরবে।

রিয়াজের ধারণা, মেয়েটি যাকে ‘আঙ্কেল’ বলছিল, সে আসলে অটোরিকশা চালকই হতে পারে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার থেকে ফেরা ওই কিশোরী নগরের পাদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামে। সেখানে তাকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় রেসকোর্স এলাকার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া। কিন্তু সে কিশোরীকে বাসায় না নিয়ে লালমাই উপজেলার একটি নির্জন কৃষিজমিতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত