সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

ককরোচ পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে আটক


সকালের বাংলাদেশ
সকালের বাংলাদেশ
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

ককরোচ পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে আটক

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)- প্রতিষ্ঠাতা তথা আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপককে আটক করেছে পুলিশ। দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিমানের ভেতর থেকেই আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার সকালে দিল্লির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পুলিশের একটি দল বিমানে উঠে তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও আটক করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানের ভেতরে পুলিশ সদস্যরা প্রবেশ করলে অভিজিৎ দীপকে ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার শুরু করেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে সিজেপির নেতাদের কথা-কাটাকাটি হয়। কেন তাদের বিমান থেকে নেমে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

ভিডিওতে অভিজিৎ দীপকেকে নারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা আমাদের বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতেন। গ্রেপ্তার করুন, আমরা ভয় পাই না।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লি যান অভিজিৎ দীপকে।

সিজেপি এক বিবৃতিতে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটকের নিন্দা জানিয়েছে। দলটি এ ঘটনাকে ‘কর্তৃত্ববাদী আটক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেছে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরুর আগেই নেতৃত্বকে অকার্যকর করতে পরিকল্পিতভাবে তাদের আটক করা হয়েছে। তিন নেতাকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দলটি।

এর আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি ও সিজেপির আইনবিষয়ক সেলের প্রধান রত্না সিংকেও তাদের বাসা থেকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিক্ষোভে যোগ দেওয়া ঠেকাতেই তাদের আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতভর চার শতাধিক সন্দেহভাজন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের আগে অনুমতি চাওয়া হয়নি বলে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।


ইম

বিষয় : আটক

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


ককরোচ পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে আটক

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)- প্রতিষ্ঠাতা তথা আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপককে আটক করেছে পুলিশ। দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিমানের ভেতর থেকেই আটক হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার সকালে দিল্লির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পুলিশের একটি দল বিমানে উঠে তাকে আটক করে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সিজেপির আরও দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকেও আটক করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানের ভেতরে পুলিশ সদস্যরা প্রবেশ করলে অভিজিৎ দীপকে ইনস্টাগ্রামে সরাসরি সম্প্রচার শুরু করেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে সিজেপির নেতাদের কথা-কাটাকাটি হয়। কেন তাদের বিমান থেকে নেমে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।

ভিডিওতে অভিজিৎ দীপকেকে নারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা আমাদের বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতেন। গ্রেপ্তার করুন, আমরা ভয় পাই না।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে সকালে মুম্বাই থেকে দিল্লি যান অভিজিৎ দীপকে।

সিজেপি এক বিবৃতিতে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটকের নিন্দা জানিয়েছে। দলটি এ ঘটনাকে ‘কর্তৃত্ববাদী আটক’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেছে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ শুরুর আগেই নেতৃত্বকে অকার্যকর করতে পরিকল্পিতভাবে তাদের আটক করা হয়েছে। তিন নেতাকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দলটি।

এর আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি ও সিজেপির আইনবিষয়ক সেলের প্রধান রত্না সিংকেও তাদের বাসা থেকে আটক করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিক্ষোভে যোগ দেওয়া ঠেকাতেই তাদের আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতভর চার শতাধিক সন্দেহভাজন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, নির্ধারিত সময়ের আগে অনুমতি চাওয়া হয়নি বলে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।


ইম


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত