সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

যন্তরমন্তরে সিজেপির মহাসমাবেশ ঘিরে কড়া নিরাপত্তা, বন্ধ ৪৫ মেট্রোস্টেশন, বাতিল ২৫০ ট্রেন

দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ, ২৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ, ২৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন


‎ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সপ্তাহান্তের ছুটির আমেজের বদলে বিরাজ করছে উত্তেজনা ও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত মহাসমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য। নজরদারিতে বসানো হয়েছে ৩০০টির বেশি ক্যামেরা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১২টি অস্থায়ী বন্দিশালাও।
‎
আজ ‎শনিবার (১০ অক্টোবর) নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে সিজেপির এ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে যন্তরমন্তর ও আশপাশের প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
‎
‎বিক্ষোভে রাজধানী ও আশপাশের এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকে মানুষের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে আরও কঠোর পদক্ষেপ। শনিবার দিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশনের সবগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন। এতে রাজধানীর গণপরিবহন ও স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
‎
‎এর আগে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, অতীতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জনসমাগমের চাপ এবং নিরাপত্তা ও যান চলাচলে সম্ভাব্য বিঘ্নের কথা উল্লেখ করে যন্তরমন্তরে সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লি পুলিশ। তবে অনুমতি না পাওয়া এবং ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা কমার লক্ষণ নেই।
‎
‎সপ্তাহান্তে সাধারণত ছুটির আমেজে থাকা দিল্লিতে এবার ভিন্ন চিত্র। মহাসমাবেশ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি, যোগাযোগব্যবস্থায় বিধিনিষেধ এবং পরিবহন চলাচলে বিঘ্ন—সব মিলিয়ে রাজধানীজুড়ে তৈরি হয়েছে থমথমে পরিস্থিতি। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মধ্যে সিজেপির ঘোষিত বিক্ষোভ কতটা এগোয়।

বিষয় : ভারত

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


দিল্লি কার্যত অবরুদ্ধ, ২৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন

প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image


‎ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সপ্তাহান্তের ছুটির আমেজের বদলে বিরাজ করছে উত্তেজনা ও কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত মহাসমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য। নজরদারিতে বসানো হয়েছে ৩০০টির বেশি ক্যামেরা। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১২টি অস্থায়ী বন্দিশালাও।
‎
আজ ‎শনিবার (১০ অক্টোবর) নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে সিজেপির এ কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। আন্দোলন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে যন্তরমন্তর ও আশপাশের প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী, শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
‎
‎বিক্ষোভে রাজধানী ও আশপাশের এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকে মানুষের অংশগ্রহণ ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে আরও কঠোর পদক্ষেপ। শনিবার দিল্লির ৪৫টি মেট্রোস্টেশনের সবগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে ২৫০টি ট্রেন। এতে রাজধানীর গণপরিবহন ও স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
‎
‎এর আগে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ, অতীতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, জনসমাগমের চাপ এবং নিরাপত্তা ও যান চলাচলে সম্ভাব্য বিঘ্নের কথা উল্লেখ করে যন্তরমন্তরে সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে দিল্লি পুলিশ। তবে অনুমতি না পাওয়া এবং ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা কমার লক্ষণ নেই।
‎
‎সপ্তাহান্তে সাধারণত ছুটির আমেজে থাকা দিল্লিতে এবার ভিন্ন চিত্র। মহাসমাবেশ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি, যোগাযোগব্যবস্থায় বিধিনিষেধ এবং পরিবহন চলাচলে বিঘ্ন—সব মিলিয়ে রাজধানীজুড়ে তৈরি হয়েছে থমথমে পরিস্থিতি। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মধ্যে সিজেপির ঘোষিত বিক্ষোভ কতটা এগোয়।


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত