মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
Sokaler Bangladesh

৪ মাসে মাত্র একবার বিছানার চাদর কাচের অবিবাহিত পুরুষরা: গবেষণা


লাইফস্টাইল ডেস্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ

৪ মাসে মাত্র একবার বিছানার চাদর কাচের অবিবাহিত পুরুষরা: গবেষণা

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে শুধু নিজেকে ও ব্যবহৃত পোশাক পরিষ্কার রাখলেই হয় না, নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয় বিছানার চাদর ও বালিশের কভারও। তবে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে অবিবাহিত পুরুষদের বিছানার চাদর পরিষ্কারের অভ্যাস নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য।

সমীক্ষা অনুযায়ী, অধিকাংশ অবিবাহিত পুরুষ নিয়মিত বিছানার চাদর বদলান না। কেউ কেউ চার মাসে মাত্র একবার চাদর ধুয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় আড়াই হাজার অবিবাহিত যুবকের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। বিছানার চাদর প্রস্তুতকারী একটি সংস্থা সমীক্ষাটি পরিচালনা করে। এতে দেখা যায়, সম্পর্কে জড়ানোর পর অনেক পুরুষের চাদর পরিষ্কারের অভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন আসে।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪৫ শতাংশ পুরুষ জানান, নিয়ম করে বিছানার চাদর ধোয়ার কথা তাঁদের মনে থাকে না। একই চাদর দীর্ঘদিন বিছানায় পেতে রাখতেও তাঁদের আপত্তি নেই। ফলে কখন চার-পাঁচ মাস পেরিয়ে যায়, সেটিও অনেক সময় খেয়াল থাকে না।

অন্যদিকে, ১২ শতাংশ পুরুষ জানান, তাঁরা সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং রাতে শুধু ঘুমানোর জন্য বাড়িতে ফেরেন। তাই তাঁদের ধারণা, চাদর খুব বেশি নোংরা হয় না। ফলে ঘন ঘন চাদর পরিবর্তনের প্রয়োজনও তাঁরা অনুভব করেন না।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ২৭ শতাংশ পুরুষ প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। তাঁরা তুলনামূলকভাবে নিয়মিত চাদর পরিষ্কার করেন। প্রেমিকার কারণে কিংবা অন্য কোনো কারণে, প্রায় এক মাস পরপর তাঁরা বিছানার চাদর ধুয়ে থাকেন।

সমীক্ষার আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে বিছানার চাদর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, বিছানার চাদর ও বালিশের কভার সপ্তাহে অন্তত একবার পরিবর্তন করা উচিত। একই চাদরে দিনের পর দিন ঘুমানো স্বাস্থ্যকর নয় এবং এটি ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।

এ ছাড়া পরিষ্কার চাদরে ঘুমালে স্বস্তি বাড়ে এবং ঘুমও ভালো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

শীতে ব্যবহৃত মোটা কম্বল প্রতিদিন ধোয়া সম্ভব নয়। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুক্ষণ রোদে দেওয়া যেতে পারে। শীত শেষে কম্বল ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে সংরক্ষণ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

বিষয় : অবিবাহিত পুরুষ বিছানার চাদর

আপনার মতামত লিখুন

কোন মন্তব্য নেই।

মতামত দিন
Sokaler Bangladesh

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


৪ মাসে মাত্র একবার বিছানার চাদর কাচের অবিবাহিত পুরুষরা: গবেষণা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে শুধু নিজেকে ও ব্যবহৃত পোশাক পরিষ্কার রাখলেই হয় না, নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয় বিছানার চাদর ও বালিশের কভারও। তবে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে অবিবাহিত পুরুষদের বিছানার চাদর পরিষ্কারের অভ্যাস নিয়ে চমকপ্রদ তথ্য।

সমীক্ষা অনুযায়ী, অধিকাংশ অবিবাহিত পুরুষ নিয়মিত বিছানার চাদর বদলান না। কেউ কেউ চার মাসে মাত্র একবার চাদর ধুয়ে থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় আড়াই হাজার অবিবাহিত যুবকের ওপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। বিছানার চাদর প্রস্তুতকারী একটি সংস্থা সমীক্ষাটি পরিচালনা করে। এতে দেখা যায়, সম্পর্কে জড়ানোর পর অনেক পুরুষের চাদর পরিষ্কারের অভ্যাসে কিছুটা পরিবর্তন আসে।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪৫ শতাংশ পুরুষ জানান, নিয়ম করে বিছানার চাদর ধোয়ার কথা তাঁদের মনে থাকে না। একই চাদর দীর্ঘদিন বিছানায় পেতে রাখতেও তাঁদের আপত্তি নেই। ফলে কখন চার-পাঁচ মাস পেরিয়ে যায়, সেটিও অনেক সময় খেয়াল থাকে না।

অন্যদিকে, ১২ শতাংশ পুরুষ জানান, তাঁরা সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং রাতে শুধু ঘুমানোর জন্য বাড়িতে ফেরেন। তাই তাঁদের ধারণা, চাদর খুব বেশি নোংরা হয় না। ফলে ঘন ঘন চাদর পরিবর্তনের প্রয়োজনও তাঁরা অনুভব করেন না।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় ২৭ শতাংশ পুরুষ প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন। তাঁদের ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। তাঁরা তুলনামূলকভাবে নিয়মিত চাদর পরিষ্কার করেন। প্রেমিকার কারণে কিংবা অন্য কোনো কারণে, প্রায় এক মাস পরপর তাঁরা বিছানার চাদর ধুয়ে থাকেন।

সমীক্ষার আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে বিছানার চাদর ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, বিছানার চাদর ও বালিশের কভার সপ্তাহে অন্তত একবার পরিবর্তন করা উচিত। একই চাদরে দিনের পর দিন ঘুমানো স্বাস্থ্যকর নয় এবং এটি ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।

এ ছাড়া পরিষ্কার চাদরে ঘুমালে স্বস্তি বাড়ে এবং ঘুমও ভালো হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

শীতে ব্যবহৃত মোটা কম্বল প্রতিদিন ধোয়া সম্ভব নয়। তাই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কিছুক্ষণ রোদে দেওয়া যেতে পারে। শীত শেষে কম্বল ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে সংরক্ষণ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার


Sokaler Bangladesh

সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত