প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সালমান মুক্তাদির আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও রাজি থাকত: মেঘনা আলম
||
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। পুরো ঘটনাটি তার কাছে পরিষ্কার নয় উল্লেখ করে এর পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য বা ‘হিডেন অ্যাজেন্ডা’ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে তার পুরোনো সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন মেঘনা। তিনি জানান, একসময় তার কষ্টে কষ্টিত হয়ে সালমান তার বাসায় এসে বাসন ধুয়ে দেওয়ার কথাও বলেছিলেন।মেঘনা বলেন, অন্য অনেকের মতো সালমানকে বিচার না করে তার ছোট ছোট উন্নতিরও প্রশংসা করেছেন তিনি। তবে পরবর্তী সময়ে সালমানের কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে একপর্যায়ে তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বন্ধু তালিকা থেকে সরিয়ে দেন।নিজের অতীতের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে মেঘনা জানান, ইউনূস সরকারের সময় তাকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার পর তার ফোন ও ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। সে সময় এক তদন্ত কর্মকর্তা সালমানের সঙ্গে তার বার্তা দেখে মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গণ্ডগোলে কীভাবে ঢুকে পড়ে?’নির্বাচনের সময় সালমান তার বিরুদ্ধে কিছু ‘ফালতু পোস্ট’ করে জনসম্মুখে ছোট করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ করেন মেঘনা। এ ছাড়া অতীতে একটি শিশুধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের সাফাই গাওয়ার অভিযোগে তিনি সালমানকে আনফ্রেন্ড করেছিলেন বলেও জানান।সালমানের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গ টেনে মেঘনা প্রশ্ন তোলেন, হামলাকারীদের নাম-চেহারা না জানা এবং নিজের কাছে সরাসরি চাঁদা দাবি করা হয়নি—সালমান নিজেই এমন কথা বলার পরও তিনি কীভাবে ঘটনাটিকে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করছেন।মেঘনা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, “উড়ে এসে জুড়ে কেউ তার স্টুডিও ভেঙে দিয়ে গিয়েছে, আর সে নাম-চেহারা কিছুই জানে না, তার কাছে চাঁদাও কেউ চায়নি, কিন্তু সে অন্তর্যামী হয়ে জানে এটা বিএনপির কাজ!? এসব আমার কাছে পানির মতো পরিষ্কার লাগছে না। সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ এমনিতেই ঘোলা জলের মাছ। এর পেছনে কোনো হিডেন অ্যাজেন্ডা আছে কি না, খোঁজ নেওয়া উচিত।”উল্লেখ্য, এর আগে ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সালমানের পক্ষ থেকে চাঁদা না দেওয়ার অভিযোগ করা হলেও পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক- রবিউল ইসলাম
কপিরাইট © ২০২৬ Sokaler Bangladesh । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত